
হৃদয় হোসাইন,পাবনা সংবাদদাতা:
প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে পাবনা মেডিকেল কলেজের ছাত্রলীগ থেকে ছাত্রদলের রাজনীতে প্রবেশ করা নেতৃবৃন্দ এসব বলেন।
‘সারজিস যদি ছাত্রলীগ থেকে এনসিপির এত বড় নেতা হতে পারে তবে আমরা কি দোষ করেছি’ মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে পাবনায় মেডিকেল কলেজের ছাত্রলীগ থেকে ছাত্রদলের রাজনীতে প্রবেশ করা নেতৃবৃন্দ এ কথা বলেন। তারা বলেন, এই ঘটনা অতিরঞ্জিত ও একটি পক্ষের ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে পাবনায় মেডিকেল কলেজের ছাত্রলীগ থেকে ছাত্রদলের রাজনীতে প্রবেশ করা নেতৃবৃন্দ
পাবনায় মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগে থাকা নেতাকর্মীদের নাম থাকা নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
তারা বলেন, তৎকালীন সময়ে কলেজে নতুন শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক ফ্যাসিবাদী ছাত্র রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ছাত্রলীগ করতে বাধ্য করানো হতো। ফ্যাসিবাদ পতনের সময় ছাত্রজনতার আন্দোলনে এই কমিটিতে থাকা সকল ছাত্ররা সেই সময়ে ছাত্রলীগ ত্যাগ করার ঘোষণা দিয়ে সম্মুখ সারিতে থেকে স্বৈরাচার বিরোধী ভূমিকা পালন করেছেন। এরই মধ্য দিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের সাথে চাপের মুখে রাখা সম্পর্কের অবসান ঘটিয়েছি তারা। অথচ এখন একটি কুচক্রী মহল জুলাই আন্দোলনের সম্মুখ যোদ্ধাদের ছাত্রলীগ ট্যাগ দিতে চাইছেন। এই অপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের নিন্দা জানিয়ে স্থগিত হওয়া কমিটি পুর্ণবহালের দাবি জানান মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের নেতা কর্মীরা। সংবাদ সম্মেলনে ছাত্ররা বলেন, বর্তমান এনসিপি নেতা সারজিস আলম যদি ছাত্রলীগ করে সমন্বয়ক হয়েছেন। বর্তমানে নতুন দল করতে পারে। তবে কেন আমরা শহীদ জিয়ার আদর্শে জাতীয়তাবাদী চেতনায় ছাত্রদলের রাজনীতি করতে পারবোনা। আমরা ফ্যাসীবাদি ছাত্র লীগের সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করেছি। আমরা পূর্ব থেকেই শহীদ জিয়ার আদর্শে ছাত্র দলের রাজনীতিতে বিশ্বাসী ছিলাম। তাই অতিদ্রæত স্থগিত হওয়া কমিটি পাস করার দাবি করেন তারা। সংবাদ সম্মেলন উপস্থিত ছিলেন, স্থগিত হওয়া কমিটির শিক্ষার্থী সভাপতি প্রার্থী সাগর মাহামুদ, সাধারন সম্পাদক হাসিবুল শুভ, যুগ্ন সম্পাদক ন তরিকুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক শেখ আল ফায়াদ, সহসভাপতি মান্নান মন্ডল, সাংগঠনিক নাসির উদ্দিন নাবিলসহ কমিটির সকল নেতাকর্মীরা।
Leave a Reply