1. admin@dailygrambangla.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পাবনায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত- ১০ শহীদ জিয়ার স্বরণে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহায়তায় যুবদল নেতার ভ্যানগাড়ি প্রদান মাদক নির্মূলে খেলার মাঠই বড় শক্তি: সোনারগাঁয়ে এমপি মান্নান সোনারগাঁয়ে মুচলেকা দিয়ে মাদক ব্যবসা ছাড়লেন দুই মাদক ব্যবসায়ী ধামগড়ে নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার, এলাকাবাসীর প্রশংসায় মেম্বার প্রার্থী শফিকুল ইসলাম ধামগড়ে গকুলদাসের বাগ কেন্দ্রীয় শাহী জামে মসজিদের মুসল্লিদের সাথে কুশল বিনিময় করেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মোমেন ভূঁইয়া সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নানা স্থানে গর্ত-খানাখন্দ, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি সোনারগাঁয়ে মাদক বিরোধী র‌্যালী করায় যুবককে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম আন্তঃজেলা নদীতে কুমিরের উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ, কারণ অনুসন্ধানের দাবি সোনারগাঁয়ে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর একই স্থানে সভাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা

আজিম চৌধুরীর জমিদারি এখনও মানুষের মুখে মুখে

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ, ২০২৫
  • ২২২ বার পঠিত

হৃদয় হোসাইন,প্রতিবেদক:

পাবনার সুজানগর উপজেলার দুলাই গ্রামের এই বাড়ি থেকে জমিদারি পরিচালক করতেন আজিম চৌধুরী। প্রায় ২৫০ বৎসর আগে এই জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠিত হয়। আজিম চৌধুরীর নামে জমিদার বাড়িটির নাম হলেও এই জমিদার বাড়িটির মূল গোড়াপত্তনকারী হচ্ছেন জমিদার আজিম চৌধুরীর পিতা রহিম উদ্দিন চৌধুরী। তিনিই এই বংশের প্রতিষ্ঠাতা। জমিদার বাড়িটি আজিম চৌধুরীর নামে হওয়ার কারণ হল। তিনি যখন এই জমিদার বাড়ির জমিদারি পান তখনই এই জমিদার বাড়িটি বিস্তার লাভ করে। তিনি তার জমিদারির সময় ৩টি নীল কুঠি স্থাপন করেন দুলাই গ্রামে। এই জমিদার বাড়িটি একটি দু’তলা বিশিষ্ট প্রাসাদ। এটিতে অনেক দরজা ও এগারটি গেট রয়েছে। একটি আয়াতাকার বিশাল দীঘি দ্বারা সম্পূর্ন জমিদার বাড়ীটি ঘেরা,বাড়ির ভেতরে একটি পুকুর, একটি মসজিদ ও অন্দরমহলে একটি পুকুর রয়েছে। জমিদার বাড়িটির নিরাপত্তা রক্ষার জন্য মূল ফটোকে দুটি হাতি ও কামান ছিল। ১২০ বিঘা জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত ওই বাড়িটি ছিল দেশি-বিদেশি গাছপালায় আবৃত্ত। ১৭০০ শতকের মাঝামাঝিতে উন্মুক্ত করা হয়। বর্তমানে এই জমিদার বাড়িটি প্রায় ধ্বংসের মুখে। যদিও তা বর্তমানে এই জমিদার বাড়ির বংশধররা রক্ষণাবেক্ষণ করতেছেন। আসলে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার পর তা সরকারের অধীনস্থ হয়ে যায়। পরে এই জমিদার বাড়ির বংশধররা দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই জমিদার বাড়িটি ১৯৯৪ সালে ফিরে পান। এবং তারপর থেকেই তারা এই জমিদার বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে আছেন। ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তের বাড়িটি সংরক্ষণের দাবি অনেকর। কথিত আছে জমিদারী আমলে বর্তমান পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলায় এই জমিদার বংশধরদের মত আরেকটি জমিদার বংশ ছিল। যা ছিল হিন্দু জমিদার বিজয় গোবিন্দ চৌধুরীর জমিদার বংশ। হিন্দু জমিদার বিজয় গোবিন্দ চৌধুরীর সাথে এই মুসলিম জমিদার আজিম চৌধুরীর বেশ ভালো সম্পর্ক ছিল। আজিম চৌধুরী এতটা প্রভাবশালী জমিদার ছিলেন যে তার নাম এখন ও মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত। পাবনার মানুষ এখন ও আজিম চৌধুরী কে মনে রেখেছে। কথায় কথায় আজিম চৌধুরীর নাম মুখে নেন। যেমন তুলনা দিয়ে বলেন যে,তুই কি আজিম চৌধুরীর ছেলে নাকি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ © দেশ প্রকাশ ©
Theme Customized By Shakil IT Park