
পাবনা সংবাদদাতা:
পাবনায় শুরু হয়েছে শীতের প্রকোপ। সকালের কুয়াচ্ছন্ন প্রকৃতি ও রাতের মৃদু বাতাস মানবদেহে ধরাচ্ছে কাঁপন। প্রকৃতিতে শীতের আগমনে গরম কাপড়ের দোকানে ভিড় জমাচ্ছে ক্রেতাসাধারণ। সকাল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলছে গরম কাপড়ের কেনাবেচা। হকারদের হাঁকডাকে মুখরিত হাট- বাজার। পাবনা জেলা শহরের পৌর হকার্স মার্কেট ও ফুটপাত, ঈশ্বরদী, সুজানগর,সাঁথিয়া, বেড়া,কাশিনাথপুর,আতাইকুলা’র বিভিন্ন মার্কেট ও ফুটপাতে অবস্থিত গরম কাপড়ের দোকানে দেখা গেছে উপচে পড়া ভিড়। এসকল মার্কেট থেকে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ যেমন তাদের চাহিদা মত গরম কাপড় ক্রয় করছে তেমনি ক্রেতাদের পছন্দমত কাপড় দেখাতে বিক্রেতারা অতিবাহিত করছে ব্যস্ত সময়। উলের সোয়েটার, চাদর, কানটুপি,গেঞ্জি কাপড়ের ট্রাউজার, হাতমোজা,ছোট বাচ্চাদের সোয়েটার সেট, মাফলারসহ বাহারি ডিজাইনের হরেক রকমের শীতের পোশাকের পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, শীতের শুরুতে গরম কাপড়ের বাজার বেশ জমজমাট। গত কয়েক দিন ধরে সব দোকানেই শীতের কাপড় কেনাবেচা হচ্ছে। তবে শীত বাড়লে বেঁচাকেনা বাড়বে। তারা জানান,শীতের শুরুতে উলের সোয়েটার, গেঞ্জি, কার্ডিয়ান, জেকেট, বাচ্চাদের সোয়েটার বিক্রি শুরু হলেও কানটুপি,হাত-পায়ের মোজা,মাফলার বিক্রি এখনো শুরু হয় নি। ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গতবছরের তুলনায় গরম কাপড়ের মুল্য এবার অনেকটা বেশি। প্রত্যেকটি পণ্য কিনতে তাদের বাজেটের তুনলায় ১০০-১৫০ টাকা বেশি গুনতে হচ্ছে বলে জানান তারা। গরম কাপড়ের দাম বিষয়ে ব্যবসায়ীরা বলেন, আগের চেয়ে বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে, তাই দাম একটু বেশি। জেলা শহরের বাহিরে জেলার বনগ্রাম, আতাইকুলা, কাশীনাথপুর,বেড়া সুজানগর, চাটমোহরের রেলবাজার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, এসকল স্থানের ফুটপাত এখন গরম কাপড়ের দোকানগুলোর দখলে। পাবনার ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিস জানায়,ভোরের কুয়াশা ও মৃদু বাতাস শীতের জানান দিচ্ছে। সেই সাথে তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। তবে ডিসেম্বর মাসের শেষের দিক থেকে শীত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
Leave a Reply