1. admin@dailygrambangla.com : admin :
রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সোনারগাঁয়ে ডাকাত মনুর মাদক সাম্রাজ্য, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা  সোনারগাঁয়ে সুতা ব্যবসায়ীকে প্রাণনাশের হুমকি থানায় অভিযোগ সংবাদ প্রচার করায় শীর্ষ সন্ত্রাসী পরিচয়ে সাংবাদিককে মেরেফেলার হুমকি সোনারগাঁয়ে মামলার স্বাক্ষীকে প্রাণ নাশের হুমকি নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি বেড়ায় আশনা এনজিও কর্তৃক অবহেলিত নারীদের আইটি প্রশিক্ষণ শুভ উদ্বোধন আশনা এনজিও সহযোগিতায় বৃক্ষরোপন ও চারা বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন সোনারগাঁয়ে উপজেলা পরিষদে দায়িত্ব ভার গ্রহণ করলেন নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানের মাহফুজুর রহমান কালাম বেড়ায় আওয়ামী লীগের ৭৫ বছর পূর্তি প্লাটিনাম জয়ন্তী পালন সোনারগাঁয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন দয়াল নগর বাহারুন্নেসা পাবলিক লাইব্রেরির ও বিকে ফাউন্ডেশনের বিনামূল্যে চক্ষু অপারেশন ক্যাম্প

ইলিশ শিকারে জেলেরা নৌ পুলিশের চেয়ে শক্তিশালী নৌকা ব্যাবহার করে

  • আপডেট : সোমবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৪৫২ বার পঠিত

হৃদয় হোসাইন,বেড়া(পাবনা)

ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা ও বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা উপপেক্ষা করে পাবনা বেড়ায় ধুমদামে চলছে ইলিশ শিকার। জেলেদের দাবি সরকারি সহযোগিতা না পেয়েই বেঁচে থাকার তাগিদে করছেন ইলিশ শিকার। মৎস অফিস বলছে বেশি বরাদ্দ না থাকায় সব জেলেকে সরকারি প্রণোদনা দেয়া সম্ভব হয়নি। তবে মাঝে মধ্যে উপজেলা প্রশাসন মৎস কর্মকর্তা নৌ পুলিশের যৌথ উদ্যেগে চলছে অভিযান। নৌ পুলিশ জানান জেলেরা যে নৌকা দিয়ে ইলিশ মাছ শিকার সেটি নৌ পুলিশের টহল নৌকার চেয়ে অধিক শক্তিশালী। ইচ্ছে করলেও জেলেদের আটক করা যায় না।

গত ১২ই অক্টেবর থেকে ২ নবেম্বর পর্যন্ত ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ আহরণ,পরিবহন,মুজুদ বাজারজাতকরণ ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং দন্ডনীয় অপরাধ ঘোষনা করেছে সরকার।
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে,বেড়া উপজেলার দশটি ইউনিয়নের বেড়া পৌরসভা, হাটুরিয়া-নাকালিয়া, মাছখালি, ঘিওর, রাকশা,নগড়বাড়ি এলাকা তালিভূক্ত মৎস্যজীবির সংখ্যা প্রায় তিন হাজার পরিবার রয়েছে যারা ইলিশ আহরণ ও বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে। তবে উপজেলার কয়েকটি মৎস্যজীবি সমিতির তথ্য হিসাব অনুযায়ী জেলে পরিবারের সংখ্যা পাঁচ হাজারেরও বেশি। তাদের বিকল্প কোন আয়ের উৎস নেই। ইলিশ মাছের প্রজনন মৌসুমে ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে এসময় মাছ আহরণ ও বাজারজাতকরণ সরকারিভাবে নিষিদ্ধ করা হয়।

সরেজমিনে অনুসন্ধানে কাজিরহাট কাজি শরিফপুর গিয়ে দেখা যায়,বেইলি ব্রীজের দুই পাশে দাঁড়িয়ে কিছু লোকজন পথযাত্রীদের ডেকে বলছেন ভাই মাছ লাগবে না কি? অনেকেই তাদের সাথে গিয়ে জেলেদের বাড়ি থেকে দামদর করে মাছ কিনে আনছে। অথচ ৫০০ মিটার দূরে রয়েছে কাজিরহাট নৌ পুলিশ ফাঁড়ি।

কাজি শরিফপুর গ্রামে গেলে দেখা যায় পুরো গ্রামটিই যেন ইলিশ বিক্রির হাট। গ্রামটি যমুনা নদীর কিনারে হওয়ায় জেলেরা নদী থেকে মাছ শিকার করে সরাসরি এই গ্রামেই প্রবেশ করে। গ্রামের প্রতিটি বাড়ি থেকে সকালে ও বিকেলে বিক্রি হয় মনকে মন ইলিশ মাছ।
কাজিরহাট কাজিশরিফপুর নটাখোলা ঘাটে ঘুরে দেখা যায়, প্রায় ত্রিশ থেকে চল্লিশটি ইলিশ ধরা নৌকা জাল সহ ঘাটে ভেড়ানো রয়েছে। এ যেন উৎসব মূখর পরিবেশে শিকার হচ্ছে মা ইলিশ। ৭শত থেকে ৯শ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৯শত টাকা ও ছোট সাইজের ইলিশ সাড়ে চারশ থেকে পাঁচশ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এক থেকে দের কেজি ওজনের ইরিশ বিক্রি হচ্ছে ১২শ থেকে ১৪ শ টাকা দরে। কল্যানপুর চর,ঢালারচরের রাখালগাছি,কাশেমবাজার সহ কয়েকটি স্থানে ভ্রাম্যমাণ হাটে ইলিশ বিক্রয় হয়।

বেড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ নাছির উদ্দিন বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণ নিষেধাজ্ঞার পর থেকেই উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের সহায়তার প্রতিদিনই আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। আগামী ২ নবেম্বর পর্যন্ত আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। আমরা এসব জেলের জন্য সরকারি সহায়তা চেয়ে বার বার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখে চলেছি।

নগরবাড়ী নৌ পুলিশ বলেন জেলেরা যে নৌকা মাছ শিকারে ব্যাবহার করে তা ছুরি নৌকা নামে পরিচিত এ নৌকা ধরতে স্পিড বোর্ড হলে ভালো হয়। আমরা দেখি কাছে যেতে যেতে নৌকা নিয়ে পালিয়ে যায়। এমন কালো ধোয়া তৈরি করে এর ভেতর নৌকা চালালে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.মোরশেদুল ইসলাম, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের শুরু থেকেই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। শেষ মুহুর্তে ইলিশ একটু বেশি ধরা পরছে একারণে আমাদের অভিযান আরও জোড়ালো ভাবে পরিচালনা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ © দেশ প্রকাশ ©
Theme Customized By Shakil IT Park