1. admin@dailygrambangla.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পাবনায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত- ১০ শহীদ জিয়ার স্বরণে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহায়তায় যুবদল নেতার ভ্যানগাড়ি প্রদান মাদক নির্মূলে খেলার মাঠই বড় শক্তি: সোনারগাঁয়ে এমপি মান্নান সোনারগাঁয়ে মুচলেকা দিয়ে মাদক ব্যবসা ছাড়লেন দুই মাদক ব্যবসায়ী ধামগড়ে নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার, এলাকাবাসীর প্রশংসায় মেম্বার প্রার্থী শফিকুল ইসলাম ধামগড়ে গকুলদাসের বাগ কেন্দ্রীয় শাহী জামে মসজিদের মুসল্লিদের সাথে কুশল বিনিময় করেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মোমেন ভূঁইয়া সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নানা স্থানে গর্ত-খানাখন্দ, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি সোনারগাঁয়ে মাদক বিরোধী র‌্যালী করায় যুবককে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম আন্তঃজেলা নদীতে কুমিরের উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ, কারণ অনুসন্ধানের দাবি সোনারগাঁয়ে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর একই স্থানে সভাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা

সাঁথিয়ায় অপহরণ মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার,পরিবারের দাবি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র

  • আপডেট : সোমবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৭৩৯ বার পঠিত

পাবনা প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার নাগডেমরা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান হাফিজকে অপহরণ মামলায় আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১২ আগষ্ট)দিবাগত রাত ১২টা ৫ মিনিটে অপহরণের অভিযোগে মামলা করেন অপহৃত যুবলীগ নেতা নান্নু। ওইদিন রাত্রি আড়াইটার দিকে থানা পুলিশ ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমানকে তার এক আত্মীয়র বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। অপহরণ এ মামলার বাদী অপহৃতা নিজেই।তিনি একই ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের আনসার শেখের ছেলে ।

থানায় এজহার সূত্রে জানাযায়,গত ৮ আগষ্ট সোনাতলা গ্রামের আনসার শেখের ছেলে যুবলীগ নেতা নান্নু (৪৫) কে অপহরণ করে মারপিট করার অভিযোগ উঠে নাগডেমরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অপহৃত নান্নু বাদী হয়ে গত শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ৫ মিনিটে চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমানসহ ৫জনকে আসামী করে সাঁথিয়া থানায় মামলা করে। মামলার পরপরই ওই দিনই রাত আড়াইটার দিকে এক আত্মীয়র বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হয়েছে হাফিজ।

এ দিকে ঘটনার দিন অপহৃতা বাদী নান্নুর সাথে থাকা নাগডেমড়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য শাহআলম জানান,গত ৮ আগষ্ট বিকেলে নান্নু আমাকে শাহজাদপুরের কথা বলে মটরসাইকেল যোগে বেলকুচি নিয়ে যায়। চেয়ারম্যান হাফিজের ভাই বেলকুচি থানায় চাকুরি করার সুবাদে সেখানে ছিলেন তিনি। সেখানে গিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজের ভাইয়ের বাসায় সৌহার্দ্য পূর্ণ কথা হয় নান্নুর। এদিকে রাত হয়ে এলে আমরা ওখানেই একটি হোটেলে খাওয়া দাওয়া করি। এর পর আমরা তিনজনই রাতে শাহজাদপুর এলে নান্নু শহরের সিরাজ প্লাজার সামনে নেমে যায়। সেখানে অপহরণ বা মারপিট কোন কিছুই হয় নাই। সব মিথ্যা, বানোয়াট।

হাফিজের স্ত্রীর অভিযোগ তার স্বামীকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে। নান্নুকে কেউ অপহরণ করেনি। সে নিজেই বেলকুচি গিয়েছিল চেয়ারম্যানের সাথে দেখা করতে। সে অপহৃত হলে সে কিভাবে সে ঘুরে বেড়ায়।

বাদী নিজেই আমার স্বামীর সাথে দেখা করে কথাবার্তা বলছে। এর পর হোটেলে খাওয়া দাওয়া করেন এক সাথে। যা ওখানকার সিসিটিভি ফুটেজে সব প্রমানিত রয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন এখানে অপহরণের কোন ঘটনাই ঘটে নাই।

সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, গত শনিবার দিবাগত রাতে অপহরণ মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার দুপুরে তাকে পাবনা আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ © দেশ প্রকাশ ©
Theme Customized By Shakil IT Park