
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকা দক্ষিণ মহানগর ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ) বিজ্ঞান বিষয়ক উপ-সম্পাদক এবং তৃণমূল পর্যায়ের রাজনীতির সক্রিয় কর্মী আবু কাওসারের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে সংগঠনের ভেতরে ও বাইরে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে রাজপথে তার সক্রিয় উপস্থিতি নজর কাড়ছে।
রাজধানীর দনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষার্থী আবু কাওসার নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলার সনমান্দী ইউনিয়নের বাসিন্দা। সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা এই তরুণের পিতা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং মাতা গৃহিণী। রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম না হলেও নিজের প্রচেষ্টা ও সাংগঠনিক দক্ষতায় তিনি মহানগর পর্যায়ে পরিচিতি লাভ করেছেন।
রাজনৈতিক সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন আন্দোলন ও কর্মসূচিতে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছেন আবু কাওসার। এর মধ্যে রয়েছে বিক্ষোভ মিছিল, অবরোধ, মশাল মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি। কারওয়ান বাজার ও ডেমরা এলাকায় আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবরোধ কর্মসূচিতে তার সক্রিয় উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।
এছাড়া ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন ক্যাম্পেইন এবং দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের বিষয়টিও সামনে এসেছে।
রাজপথের পাশাপাশি মানবিক কার্যক্রমেও যুক্ত রয়েছেন তিনি। বিভিন্ন জাতীয় দিবস, দলীয় কর্মসূচি এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য বিতরণ, শীতবস্ত্র প্রদান এবং ঈদ সামগ্রী বিতরণে অংশ নিতে দেখা গেছে তাকে। করোনা পরিস্থিতিতেও মাস্ক বিতরণ ও জনসচেতনতা কার্যক্রমে ভূমিকা রাখেন বলে জানা গেছে।
সাংগঠনিক দিক থেকেও সক্রিয় আবু কাওসার। লিফলেট বিতরণ, দেয়াল লিখন, পোস্টারিংসহ বিভিন্ন প্রচারণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দলীয় কার্যক্রম প্রচারে ভূমিকা রাখছেন।
দলীয় বিভিন্ন দিবস যেমন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রাসেলের জন্মদিন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতেও অংশগ্রহণ করেন তিনি।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, তৃণমূল পর্যায়ে কর্মীদের সংগঠিত করা এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে আবু কাওসারকে একজন পরিশ্রমী কর্মী হিসেবে দেখা হয়। তবে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে ভিন্ন মতও রয়েছে বলে জানা গেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূল পর্যায়ের এ ধরনের সক্রিয় কর্মীরাই বড় রাজনৈতিক দলগুলোর সাংগঠনিক শক্তির ভিত্তি গড়ে তোলে।
Leave a Reply