1. admin@dailygrambangla.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পাবনায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত- ১০ শহীদ জিয়ার স্বরণে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহায়তায় যুবদল নেতার ভ্যানগাড়ি প্রদান মাদক নির্মূলে খেলার মাঠই বড় শক্তি: সোনারগাঁয়ে এমপি মান্নান সোনারগাঁয়ে মুচলেকা দিয়ে মাদক ব্যবসা ছাড়লেন দুই মাদক ব্যবসায়ী ধামগড়ে নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার, এলাকাবাসীর প্রশংসায় মেম্বার প্রার্থী শফিকুল ইসলাম ধামগড়ে গকুলদাসের বাগ কেন্দ্রীয় শাহী জামে মসজিদের মুসল্লিদের সাথে কুশল বিনিময় করেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মোমেন ভূঁইয়া সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নানা স্থানে গর্ত-খানাখন্দ, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি সোনারগাঁয়ে মাদক বিরোধী র‌্যালী করায় যুবককে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম আন্তঃজেলা নদীতে কুমিরের উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ, কারণ অনুসন্ধানের দাবি সোনারগাঁয়ে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর একই স্থানে সভাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা

বেড়ায় বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা ভোগান্তির শিকার অর্ধশত পরিবার

  • আপডেট : শুক্রবার, ১ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৬১ বার পঠিত

হৃদয় হোসাইন,পাবনা সংবাদদাতা:

বৃষ্টিতে পাবনার বেড়ায় জলাবদ্ধতা,দুর্ভোগ চরমে। হালকা ও ভারী বৃষ্টিপাতে বেড়া পৌরসভার বিভিন্ন মহল্লায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে রাস্তা ও বাড়ির উঠান।ভোগান্তির শিকার অর্ধশত পরিবার। প্রতি বছর আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের বেশিরভাগ এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। এতে দুর্ভোগে পড়তে হয় বাসিন্দাদের। অনেক স্থানে হাঁটু থেকে কোমর পযন্ত পানি জমে। জলাবদ্ধতা নিরসনে নেওয়া হয়নি কোনো স্থায়ী পরিকল্পনা। প্রশাসন,রাজনৈতিক দলের নেতা,জনপ্রতিনিধি কেউই এগিয়ে আসেনি। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) বিভিন্ন মহল্লা ঘুরে দেখা যায়,বৃষ্টিপাতের কারণে সড়ক বসতবাড়ির আঙিনা পানিতে তলিয়ে গিয়েছে।পৌরসভার সানিলা,বনগ্রাম,হাতিগাড়া,সম্ভবপুর ডাকবাংলা,স্যান্ডেলপাড়া,দক্ষিণপাড়া। এসব এলাকার কোনো কোনো সড়কে ৫ থেকে ৭ দিন হাঁটু পযন্ত পানি জমে থাকে। নির্বিঘ্নে শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজে যাতায়াত করতে পারে না। জলাবদ্ধতার শিকার বাসিন্দাদের অভিযোগ,পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিতে পৌর কর্তৃপক্ষকে বারবার বললেও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। প্রতি বছর হালকাও ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। দায় সারাতে উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভার পক্ষ থেকে বলা হয় রাস্তা থেকে ঘরবাড়ি নিচু হওয়ায় এমন জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একব্যাক্তি বলেন,রাস্তা তলিয়ে গেছে,ময়লা পানি সব জায়গায়। আগের জনপ্রতিনিধিরা পানি নিষ্কাশনের জন্য কোনো কাজ করেনি। এখন তো মেয়র কাউন্সিলর নেই,বুঝতে পারছি না। এই অসহ্য বেদনার কথা কার কাছে বলি। বৃষ্টিতে বাড়ির আশেপাশে সড়কে পানি। জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে কি ভাবে মুক্তি পাবো আল্লাহ ভালো জানেন। ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়ে বলা হতো আগামী বছর পানি উঠবে না। পানি নেমে গেলে আর কারও কোনো খোঁজ থাকে না। এই অবস্থার উন্নতি চাই। আরও কয়েকজন জানান,জমে থাকা এই পানিতে ময়লা আবর্জনা রয়েছে। দীর্ঘদিন জমে থাকার ফলে বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে বৃষ্টিতে পানি জমেছে সেই সময়গুলোতে শিশুসহ অনেকে চুলকানি সহ পানিবাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়েছিল। প্রশাসনের কাছে স্থায়ী ভাবে মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের দাবি জানান তারা। সচেতন ব্যাক্তিদের মন্তব্য,প্রশাসনের পরিকল্পিত নগর গঠনে উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি। প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় প্রতি বছর জলাবদ্ধতা মানায় না। তারা আরও বলেন, বৃষ্টির পানি গড়ে এসে নির্দিষ্ট একটি স্থানে জমা হয়। জমা হওয়া পানি পরিকল্পনা করে। নদী অথবা বড় জলাশয় দেওয়ার ব্যবস্থা করলে। অনেক পরিবারকে আর জলাবদ্ধতায়,দুর্ভোগে পড়তে হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ © দেশ প্রকাশ ©
Theme Customized By Shakil IT Park