
পাবনা সংবাদদাতা:
পাবনা সদর উপজেলার পারনলমুড়া,মালঞ্চী এলাকায় ইছামতী নদী তীরে ইউনিফিল ফার্মাসিউটিক্যালস্ (ইউনানী) ওষুধ কারখানায় অবাধে তৈরি হচ্ছে যৌন উত্তেজক সিরাপ ও ট্যাবলেট। ক্ষতিকর এসব যৌন উত্তেজক সিরাপ ও ট্যাবলেট বিক্রয় প্রতিনিধির মাধ্যমে অল্প মূল্যে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে পাবনাসহ আশপাশের জেলা উপজেলায়। পাবনা শহরের আতাইকুলা রোড নিমতলা দিশারী বই বিতান এর আড়ালে দিশারী ফার্মেসী খুলে যৌন উত্তেজক সিরাপ ও ট্যাবলেট পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করা হয়। মার্কেটিং প্রচার সূত্রে জানা যায়,ইউনিফিল ফার্মাসিউটিক্যালস (ইউনানী) এখানে তৈরি করা হয়, ইরিনা,টার্বো,কুইকআপ,ভিরা,লোগরা,জিগরা,কোরিজিন,জোরাগ,ফিলক্যাপ,এ্যাগি,স্পার্মিয়া,ফিলটরসহ কয়েক রকম ক্ষতিকর যৌন উত্তেজক সিরাপ ও ট্যাবলেট। এখানে অনুমোদনহীন নিম্নমানের আরও বেশকিছু ওষুধ তৈরি করা হয়। পাবনা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো গর্জে উঠেছে যৌন উত্তেজক সিরাপ ও ট্যাবলেট কারখানা। চাহিদা অনুযায়ী কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে এসব যৌন উত্তেজক ওষুধ। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ২০০৯ সালের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন আইনের ৪৫,৫২ ধারা ভঙ্গের অপরাধের দায়ে ইউনিফিলের মালিক পক্ষ মোঃ মহসিন বিশ্বাসকে ৫০,০০০/-(পঞ্চাশ হাজার) টাকা জরিমানা ও বিভিন্ন প্রকার ক্ষতিকারক পাউডার ও রং ধ্বংস করা হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে অর্থদন্ড জরিমানার পর আবারও চলমান রয়েছে ইউনিফিল ফার্মাসিউটিক্যালস্( ইউনানী) এর যৌন উত্তেজক সিরাপ তৈরি। পাবনা জেলা পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সাবেক সভাপতি আব্দুল মজিদ বিশ্বাস ও তার দুই ভাই মো: মহসিন বিশ্বাস এবং মো: সাইফুল ইসলাম মকিম মিলে গড়ে তুলেছেন এই সিরাপ কারখানা। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে এসব কারখানা বন্ধ করতে পারছেন না। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পাবনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি বলেন,এদের কাগজ-পত্র যা ঠিক ছিল না,শেষে ঠিক পেয়েছিলাম। ৪৫ ধারায় যে মেডিসিন এর উপাদান প্যাকেটে ছিল,সেগুলি বোধ হয় পাওয়া গেছিলো না। যৌন উত্তেজক সিরাপ তৈরির ব্যাপারে তিনি বলেন,এটা ঔষধ প্রশাসন বলতে পারবে। আমি কাগজ-পত্রের বিষয়ে অভিযান করতে পারি। কিন্তু এই টেকনিক্যাল বিষয়টি তারা অবগত।
Leave a Reply