হৃদয় হোসাইন,নিজস্ব সংবাদদাতা:
পাবনার হাট বাজারে শাপলা ফুল সবজি হিসাবে বিক্রি হচ্ছে। শাপলা শুধু সৌন্দর্য ছড়ায় না; খাদ্য চাহিদাও পূরণ করে। বর্ষায় পাবনা জেলার বিভিন্ন খাল বিল থেকে শাপলা ফুল সংগ্রহ করে কিছু লোক হাট-বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছে। যার কান্ড বা ডগা সবজি হিসেবে খাওয়া যায়। সবজি হিসেবে শাপলার চাহিদা থাকলেও দূষণ ও জলাশয় কমতে থাকায় এখন আর আগের মত শাপলা পাওয়া যায় না। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে প্রায় দুই থেকে তিন মাস খাল-বিলের মধ্যে পানি থাকে। এটি পুষ্টিকর সবজি এবং বেশ সুস্বাদু। শাপলা কয়েক রকমের হয়ে থাকে। তবে সাদা, নীল ও লাল শাপলাই চোখে পড়ে বেশি। শহরে এটা তেমন দেখা না গেলেও গ্রামাঞ্চলের বিল-ঝিলে বেশি চোখে পড়ে। শহর গ্রামের বাজারগুলোতে প্রতি আঁটি শাপলা ১০/২০ টাকা করে বিক্রি হয়ে থাকে। গ্রামেই নয়,শহরেও তরকারি হিসেবে শাপলার জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। বাংলাদেশের প্রায় সবখানে খাল, বিল,পুকুর,ডোবায় শাপলা পাওয়া যায়। শাপলা বিক্রিতে বড় ধরনের কোন মূলধনের প্রয়োজন না। দরিদ্র পরিবারের অনেকেই বর্ষার মৌসুমে শাপলা বিক্রি করছেন। সবজির দর চড়া থাকার কারণে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর চাহিদা মেটাতো শাপলা। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের আজ ধনী-গরীব সবার কাছে শাপলা তরকারি হিসেবে শাপলার জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। স্থানীয়রা জানান,বর্ষা মৌসুমে অনেক শাপলা ফুটে। আষাঢ় থেকে শুরু করে ভাদ্র মাস পর্যন্ত পাওয়া যায় এই শাপলা। প্রাকৃতিক নিয়মেই পানিতে বেড়ে ওঠে শাপলা ফুল । কোন ধরনের যত্ন ও পরিচর্যা করা লাগে না। বর্ষা মৌসুমে খাল বিলে পানি থেকে প্রচুর শাপলা হয়। এসব শাপলা তুলে বহু পরিবার জীবিকা নির্বাহ করেন। যদি ঠিকমতো সংগ্রহ করে বাজারজাত করা যায়,তবে এটিও আয়ের ভালো উৎস হতে পারে।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : সোনারগাঁও শপিং কমপ্লেক্স ৪র্থ তলা, মোগরাপাড়া চৌরাস্তা, সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ।
প্রকাশক
ও সম্পাদক: মোঃ ইমরান হোসেন
মোবাইল
: 01822219555
মেইল
: emranhossain9555gmail.com
বার্তা
সম্পাদক : মোঃ পারভেজ হোসেন
মোবাইল
: 01826178999
মেইল : parvezoks@gmail.com
Copyright © 2026 দেশ প্রকাশ. All rights reserved.