1. admin@dailygrambangla.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১১:২৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বেড়া পৌরসভার উদ্যোগে বিনামূল্যে পানি বিতরণ উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নজরুলকে দেখতে চায় বেড়াবাসী বেড়া পৌর ক্রীড়া উন্নয়ন সংস্থার উদ্যােগে ১১টি ক্লাবের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত দয়াল নগর বাহারুন্নেসা পাবলিক লাইব্রেরীরতে বিনামূল্যে চক্ষু অপারেশন ক্যাম্প বেড়ায় ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা আমতলীতে হাওয়া বিবি নাইট শ্যাডো ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত সাঁথিয়ায় রাস্তা নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন ডেপুটি স্পিকার ডেমরায় অবৈধ মেলার আয়োজন সাঁথিয়ায় রাস্তা উন্নয়ন ও ব্রীজ নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন ডেপুটি স্পিকার সোনারগাঁও সাব রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখকদের নতুন কমিটির অনুমোদন

বেড়ায় বর্ষা মৌসুমে নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা

  • আপডেট : শুক্রবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৩
  • ২০৬ বার পঠিত

হৃদয় হোসাইন-পাবনা প্রতিনিধি:

পাবনার বেড়া উপজেলার বুকের উপর দিয়ে বয়ে গেছে বেশ কয়েকটি ছোট বড় নদী। আর এই নদ নদী জলাশয় গুলো বর্ষার পানিতে তলিয়ে যায়।

বছর ঘুরে চলে এসেছে বর্ষা। নদী,খাল বিলে যে দিক চোখ যাবে সেই দিকই পানি। তাই উপজেলার কয়েকটি এলাকায় চলছে নৌকা তৈরির হিড়িক। চলছে পুরনো নৌকা মেরামতের কাজও। বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে বেড়া উপজেলায় ব্যস্ত সময় পার করছেন নৌকার কারিগররা। দিনরাত হাতুড়ি-বাটালের ঠুকঠুকানিতে মুখর নৌকা তৈরির হাট-বাজারগুলো। এক সময় নৌকা ছিল যোগাযোগের অন্যতম বাহন। বর্তমানে শুধু বর্ষাকালে নিম্নাঞ্চল ও বন্যাকবলিত এলাকায় মানুষের পারাপারে নৌকা ব্যবহার হয়।

জানা গেছে, বর্ষা মৌসুমে নিচু এলাকার বাসিন্দাদের যোগাযোগের মাধ্যম হয়ে ওঠে নৌকা। চারদিকে বর্ষায় যখন রাস্তাঘাট তলিয়ে যায়, তখন নৌকা, কলাগাছের ভেলা হয়ে ওঠে পারাপারের ভরসা। এ কারণে বিভিন্ন গ্রামে নৌকা তৈরির কাজ শুরু হয়ে গেছে। ছবিটি উপজেলার কৈটোলা থেকে তোলা।

বর্ষাকালে চরাঞ্চলের জনপদ পানিতে থৈ থৈ করে। ডুবে যায় রাস্তাঘাট, নদী-নালা,খাল-বিল। যাতায়াত করতে হয় নৌকায়। বর্ষাকালে মৎস্যজীবীরা মাছ ধরার কাজে ব্যবহার করেন ছোটবড় নৌকা। তাই বর্ষা মৌসুম আসলেই এ অঞ্চলে বেড়ে যায় নৌকার কদর।

নৌকার কারিগর কাঠমিস্ত্রি কাঙ্গাল সূত্রধর (৬৫) বলেন, আমি প্রায় ৪০ বছর কাঠমিস্ত্রির কাজ করছি। নৌকাসহ মানুষের ঘরবাড়ি তৈরি করি। বিক্রির উদ্দেশ্যে কমদামি খাট, চৌকি,দরজা, জানালা তৈরি করি। আর বর্ষা এলে নৌকা বানাই। এ সময় আমার কারিগররা দম ফেলার সময় পায় না।

আরেক কাঠমিস্ত্রি শ্রীকৃষ্ণ সূত্রধর জানান, কাঠের কাজ আমার পেশা। এখন আমার বয়স ৫২ বছর। দীর্ঘ ৩৫ বছর যাবত কাঠমিস্ত্রির কাজ করছি। এ কাজ করে ছেলে সন্তানদের পড়া লেখা করাই,নিজেরা খেয়ে বেঁচে আছি। বর্ষাকাল শুরুর ১-২ মাস আগে থেকেই নৌকা তৈরির কাজ শুরু হয়। বর্ষায় নৌকা আর বছরের বাকি সময়টা চেয়ার-টেবিল, দরজা-জানালা তৈরি করে সংসার চলে। বর্ষায় এ পাড়া থেকে ওপাড়া যাতায়াতের জন্য ছোট ছোট নৌকার প্রয়োজন হয়। তাই বড় নৌকা তেমন তৈরি হয় না- ছোট নৌকার কদর বেশি। তারা জানান,বর্ষা মৌসুমে নৌকা তৈরির কাজ করেই তাদের সংসার চলে। ছোট সময় থেকে বাপ-দাদার কাছে হাতেখড়ি নিয়েছেন তারা। একটি নৌকা তৈরিতে তিনজনের ২-৩দিন সময় লাগে। তারা আরো বলেন, নৌকা যত বড় খরচ তত বেশি। আর একজন মিস্ত্রি প্রতিদিন পাই ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা। যার যেমন দরকার তেমন তৈরি করা হয়।

কলেজ ছাত্র হাবিবুর রহমান দিসান বলেন,অনেক আগে থেকে দেখে আসছি বর্ষা মৌসুমে খুবই ব্যস্ত থাকেন নৌকা তৈরীর কারিগর।প্রতি বছর বর্ষায় কাঠ দিয়ে নৌকা তৈরি করেন এই কাঠমিস্ত্রিরা। এসব নৌকা সাধারণত এই এলাকার জেলেদের। তারা কাঠমিস্ত্রিদের দিন অনুযায়ী পারিশ্রমিক দিয়ে নৌকা তৈরি করান। নৌকা আর জাল দিয়ে সারা বর্ষায় মৎস্য শিকার করে চলে জেলেদের সংসার। মাঝে মাঝে নৌকায় আমরা বন্ধুরা মিলে ঘুরে বেড়াই অনেক ভালো লাগে। বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ আরে এই নদীমাতৃক দেশের নৌকা হলো সহজ নৌযান। নৌকা আর নদী এটি বাংলার চিরচেনা রূপ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ © দেশ প্রকাশ ©
Theme Customized By Shakil IT Park