1. admin@dailygrambangla.com : admin :
সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায় ৩টি ক্যাটাগরিতেই ১ম স্থান মো. হানজালাল প্রধান  সোনারগাঁয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে কিশোর গ্যাং ও ইভটিজারদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ঘুষ দুর্নীতির গডফাদার উমেদার আমজাদ এখন কোটিপতি বেড়ায় কুপিয়ে একটি পা বিচ্ছিন্ন করা হলো ব্যবসায়ীর সোনারগাঁ উপজেলা নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান হলেন মাহফুজুর রহমান কালাম বেড়ায় প্রস্তাবিত শেখ রাসেল শিশু পার্কের কাজ শুরু বেড়ায় সাবেক কাউন্সিলর রফিকুলের বিরুদ্ধে থানায় বাবার লিখিত অভিযোগ সোনারগাঁওয়ে আনারস প্রতীকের পক্ষে টাকা দেওয়ার সময় আটক-১ উপজেলা নির্বাচনে কালামের “ঘোড়া”সমর্থন দিলো কেন্দ্রীয় আ’লীগ নেতা ইঞ্জি.শফিকুল ইসলাম আমাকে ঠেকাতে চলছে অনেক ষড়যন্ত্র – মাহফুজুর রহমান কালাম

বরগুনার আমতলীতে প্রকাশ্য কারেন্ট জাল বিক্রি!

  • আপডেট : শুক্রবার, ১৪ জুলাই, ২০২৩
  • ১৬২ বার পঠিত
মোঃ ইমরান হোসাইন, আমতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি:
 বরগুনার আমতলীতে প্রকাশ্য চলছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল বিক্রি। এসব জাল দিয়ে বিভিন্ন নদ-নদী ও খাল-বিলে দেশীয় প্রজাতির ডিমওয়ালা ও পোনা মাছ নিধন করা হচ্ছে। বর্ষার শুরু সাথে সাথে এসব জাল বেচাকেনা বেড়ে গেছে ও মাছ ধরা শুরু হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায় পৌরশহরে বুধবার হাটের দিন।এদিন প্রকাশ্যে পুরাতন বাজারের খালেদা কটনের মালিক মো. আব্দুল খালেক প্রকাশ্য কারেন্ট জাল বিক্রি করেন। এ ছাড়াও সিলভার পট্রিতে আব্দুস সালাম ও আব্দুল মালেক নামের দুজনও প্রায়ই কারেন্ট জাল বিক্রি করেন।
আমতলী উপজেলার উপর দিয়ে পায়রা নদী সহ একাধিক খাল-বিল রয়েছে। এসব জলাশয়ে এখন যথেষ্ট দেশি মাছ পাওয়া যাচ্ছে। বর্ষায় এসব নদী-নালা, খাল-বিলে মাছ ডিম ছাড়ায় প্রচুর রেণু-পোনা জন্ম নিয়েছে।কিন্তু কারেন্ট জালের ব্যবহারে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে দেশিয় প্রজাতির মাছ।
আমতলী পেওর শহরের সিলভার পত্রি এলাকায় প্রায় ২০/৩০ বছর ধরে সরকারী আইন কানুনের কোন রকম তোয়াক্কা না করে আব্দুল খালেক মিয়া নিয়মিত কারেন্ট জাল বিক্রি করছেন। এতে ধ্বংস হযে যাচ্ছে দেশিয় প্রজাতির মাছ। আব্দুল খালেক অবৈধভাবে কারেন্ট জাল বিক্রি করলেও দেখার কেহ নাই।
বর্ষার শুরু থেকে এসব জাল দিয়ে মাছ ধরা শুরু হয়। নদ নদী খাল বিল ডোবার পানি বৃদ্ধির পর মাছ ধরার পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ শিকার করে নিজেদের অজান্তেই মৎস্য সম্পদকে হুমকির মুখে ফেলছেন মাছ শিকারিরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রেতা বলেন, মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কারেন্ট জালের সহজলভ্যতা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
মৎস্য মন্ত্রনালয় সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালে সরকারের জারি করা মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনের ৪ (১) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি কারেন্ট জালের উৎপাদন, বুনন, আমদানি, বাজারজাতকরণ, সংরক্ষণ, বহন ও ব্যবহার করতে পারবেন না। আইন ভঙ্গকারীকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা বা এক থেকে দুই বছরের কারাদন্ডে দন্ডিত হবেন। এ ছাড়া, মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ বিধিমালা, ১৯৮৫ এর বিধি-১২ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার মাছ ধরার ক্ষেত্রে ৪.৫ সেন্টিমিটার বা তার কম ব্যাস বা দৈর্ঘ্য ফাঁস বিশিষ্ট জাল বা অনুরূপ ফাঁস বিশিষ্ট অন্য যেকোনো জালের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে।
এব্যাপারে আমতলী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হালিমা সরদার বলেন, প্রায়ই অভিযান পরিচালনা করাহয়। অবৈধ কারেন্টজাল বিক্রিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আশ্রাফুল আলম মুঠোফোনে বলেন, অবৈধ কারেন্ট জাল ব্যবসায়ী ও বিক্রি কারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ © দেশ প্রকাশ ©
Theme Customized By Shakil IT Park