1. admin@dailygrambangla.com : admin :
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ০১:১৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৬ষ্ঠ বছরে পদার্পণ উপলক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের অভিষেক অনুষ্ঠিত আমাদের বিরুদ্ধে অপ-প্রচার চালাচ্ছে বিএনপি নেতা দুই সহোদর: আব্দুল হালিম রাতের আধারে শীতার্ত অসহায় ছিন্নমূল মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় শীতার্তদের মাঝে কোস্ট গার্ডের শীতবস্ত্র বিতরণ ইতিহাস বিকৃতিকারী ইউপি. চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা সনমান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত সোনারগাঁয়ে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে শীতবস্ত বিতরণ প্রায় দেড়যুগ বেড়া সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের কমিটি নেই হতাশায় কর্মীরা নোয়াগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত জেসিআই ঢাকা পাইওনিয়ারের জেনারেল অ্যাসেম্বলি অনুষ্ঠিত

মেঘনায় অবৈধ ড্রেজিংয়ে বালু উত্তোলন, আনন্দবাজার হাটসহ কয়েকটি গ্রাম ভাঙনের আশঙ্কা

  • আপডেট : বুধবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২২
  • ৪২ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু কেটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। অপরিকল্পিতভাবে এ বালু উত্তোলনের ফলে ঐতিহ্যবাহী ২০০ বছরের পুরনো আনন্দবাজার হাট ও নুনেরটেক সহ কয়েকটি এলাকা নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চাপাঁ ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের আনন্দবাজার হাট এলাকায় অবৈধভাবে মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলন করে সরকারি জায়গা দখল করে এবং কিছু ব্যক্তি মালিকানাধিন কৃষি জমিতে বাশেঁর খুটি ও বেড়া দিয়ে মোটা পাইপের মাধ্যমে বালু ফেলার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। এরই মধ্যে শ্রমিকরা ৯টি গাছ কেটে সারিবদ্ধ করে রেখেছে।
স্থানীয়রা জানান, এই হাটের পাশে মেঘনা নদী থেকে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করলে বাজারের মাঠ ও নুনেরটেক এলাকা,নদীর তীরে গড়ে উঠা কয়েকটি শিল্প কারখানা এবং মানুষ পাড়াপারের জন্য নির্মিত জেটি নদীতে বিলীন হয়ে যাবে। এই আনন্দবাজার হাটের মাঠে একটি গরুর হাট বসে যেখানে সরকারের প্রতি বছর ৭০/৮০ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়। বালু উত্তোলনের ফলে হাটের নদী তীরের অংশ বিলীন হলে কর্মহীন হবে হাটে কাজ করা শ্রমিকরা ও স্থানীয় দোকানদাররা। অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করে ঐতিহ্যবাহী আনন্দবাজার হাট রক্ষার দাবী করেন এলাকাবাসী।
তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ বিষয়ে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজী হননি।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইব্রাহিম মুঠোফোনে জানান,মেঘনা নদীতে বালু উত্তোলনের বিষয়টি তদন্ত করার জন্য আমি তাৎক্ষণিক লোক পাঠিয়েছি।সরকারী স্বার্থ রক্ষায় আমরা কাজ করে যাবো।

নদীতে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের বিষয়ে স্থানীয় বৈদ্যের বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল আমিন সরকার বলেন,হাটের পরিধি বৃদ্ধির জন্য বালু ভরাট করা হবে।এখানে কোন অনিয়ম করতে দেয়া হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ © দেশ প্রকাশ ©
Theme Customized By Theme Park BD