1. admin@dailygrambangla.com : admin :
বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:১১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সোনারগাঁয়ে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ বেড়ায় আওয়ামী লীগের মিছিলে বিএনপির হামলা উভয় পক্ষের আহত ২০ সোনারগাঁও সরকারি কলেজের হিসাব রক্ষকে উপর সন্ত্রাসী হামলা ভাষা শহীদদের প্রতি সোনারগাঁও উপজেলা আ.লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন স্মার্ট সোনারগাঁও বিনির্মানের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা করেছেন – এমপি আব্দুল্লাহ আল কায়সার ১৯৫২’র ভাষা আন্দোলনের সকল শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিল্লাল হোসেন বেপার সোনারগাঁয়ে ভূমিদস্যু সাদেক বাহিনীর তান্ডব! দু’দিনের ব্যবধানে থানায় ৪ অভিযোগ নির্বাচনী এলাকায় ডেপুটি স্পিকার টুকু’কে বিশাল সংবর্ধনা সোনারগাঁওয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত-১ সোনারগাঁ উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শন করলেন ডিসি মাহমুদুল হক

ফুটবল টুর্নামেন্টের ট্রফি ভাঙলেন ইউএনও

  • আপডেট : শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১০৯ বার পঠিত

নিউজ ডেস্ক: দেশপ্রকাশ, 

ফুটবল টুর্নামেন্টের ট্রফি ভেঙে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন বান্দরবানের আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেরুবা ইসলাম। ইউএনওর এমন আচরণের কারণে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান স্থানীয়রা।

শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হলে সমালোচনার ঝড় উঠে।

 

এ ঘটনায় আলীকদম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে ইউএনওকে প্রত্যাহারের দাবি জানান।

তিনি বলেন, ফুটবল খেলার টাইব্রেকারে একটা দলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। খেলায় অংশগ্রহণকারীরা বলেছিলেন, টাইব্রেকারে ত্রুটি আছে, আমরা পুনরায় খেলাটা চাই। তখন ইউএনও বক্তব্য রাখছিলেন। বক্তব্যের সময় ইউএনও নিজেই ট্রফিগুলো ভেঙে ফেলেন।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার আলীকদম উপজেলার ২নং চৈক্ষং ইউনিয়নের রেপারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আবাসিক স্বাধীন যুব সমাজের উদ্যোগে জুনিয়র একাদশ বনাম রেপারপাড়া বাজার একাদশ ফুটবল দলের ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন আলীকদমের ইউএনও মেহরুবা ইসলাম। খেলার সমাপনী বক্তব্যের সময় হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে উপস্থিত জনগণের সামনে ট্রফি ভেঙে ফেলেন তিনি।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেরুবা ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণের সময় হঠাৎ একজন এসে বললেন যে, তিন গোল চার গোল তারা মানে না। তখন আমি বললাম, খেলা আবার হবে কিনা। তখন এটা নিয়ে পেছন থেকে খুব আওয়াজ শুরু হলো তারা ট্রফি নেবে না। তারাই বলল, ট্রফি যতদিন থাকবে একটা আক্রোশ থাকবে। তারা বলল, ট্রফি ভেঙে ফেলা হোক। পরে আমি বললাম, তাহলে ঠিক আছে আপনারা মেডেলগুলো নিয়ে যান।

মেহেরুবা ইসলাম আরও বলেন, তখন মেডেলগুলোও না নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়। ওরাই বলছে ট্রফিটা ভেঙে ফেলা হোক। তাই ভেঙে ফেলা হয়েছে। ওখানে বহিরাগত কিছু ছেলে এসেছিল। স্থানীয় চেয়ারম্যানও তাদেরকে চেনেন না বলে জানিয়েছেন।

আলীকদম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম বলেন, খেলার আয়োজকরা চাঁদা তুলে ট্রফিগুলো কিনেছে। এখনো নাকি ২৭ হাজার টাকার মতো বকেয়া আছে। এসব অনুষ্ঠানে গেলে আয়োজকদের কমপক্ষে ২০-৩০ হাজার টাকা দিই, যাতে ট্রফি ও মেডেল কিনতে পারে। এজন্য আমরা সহযোগিতা করি। কিন্তু এখানে তাদেরকে কোনো সহযোগিতা না করে উল্টো ট্রফি ভেঙে ফেলা হয়েছে। এরকম করা উচিত হয়নি। সেখানে তিন-চার জন জনপ্রতিনিধিও ছিল।

ইউএনও এর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে তিনি আরও বলেন, দুই দিন আগে পার্কিং করা অবস্থায় দুটি মোটরসাইকেল আনসারদের ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। এটিও আমার ফেসবুকে দিয়েছি। ইউএনওর ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসককে জানানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ © দেশ প্রকাশ ©
Theme Customized By Shakil IT Park