1. admin@dailygrambangla.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:২১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ধামগড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে ভিপি বাদলকে সংবর্ধনা কালাপাহাড়িয়া ইউপি আ.লীগের সাঃ সম্পাদক পদপ্রার্থী তোফাজ্জল হোসেন সোনারগাঁয়ে তিন পুত্র সন্তানের জন্ম দিলেন নাসির ও মনিষা দম্পতি প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২২ শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদের সংবর্ধনা রূপগঞ্জে উপজেলা ছাত্রলীগের প্রতিবাদ সভা মাসুমদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের স্থায়ী ভবন নেই বারান্দায় বসেন সচিব সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ন সম্পাদক পদে আগ্রহী সাইদুর মন্ডল সোনারগাঁয়ে ভূমিদস্যু মোবারকের বিরুদ্ধে জাল দলিল করে জমি ক্রয়-বিক্রয়ের অভিযোগ পাবনা জেলা ছাত্রলীগকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ সভাপতি সবুজের ব্রাজিলকে হারিয়েও বিদায় নিলো ক্যামেরুন

পিস্তল তাক করার পর চেয়ারম্যানকে মিষ্টি খাওয়ালেন এমপি বাবলু!

  • আপডেট : শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৬২ বার পঠিত

নিউজ ডেস্ক:

বগুড়া-৭ আসনের এমপি রেজাউল করিম বাবলু এবং শাজাহানপুর উপজেলা চেয়ারম্যানদের ভেতরকার দ্বন্দ্বের অবসান ঘটিয়ে পরস্পর বুকে বুক মেলালেন, মিষ্টি খাওয়ালেন। এতে দুই গ্রুপের মধ্যে সম্প্রীতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গছে।

শনিবার দুপুরের এমপি বাবলু এবং চেয়ারম্যান ছান্নুর এ রকম ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় নেট দুনিয়ায় তাদের নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর (বুধবার) শাজাহানপুর উপজেলা পরিষদের দোতলায় এমপির সমর্থক ও উপজেলা চেয়ারম্যানের সমর্থকের মধ্যে হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় উপজেল চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন ছান্নু উভয় পক্ষকে থামানোর জন্য এগিয়ে গেলে সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাবলু পিস্তল বের করেন। এই ঘটনার জেরে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেন, তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়, কুশপুত্তলিকা দাহ থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমপি বাবলু’র বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করতে থাকেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সংসদ সদস্য এবং উপজেলা চেয়ারম্যানের মধ্যকার বিরোধ আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এরপর মিষ্টি খাওয়ানো এবং বুক মিলানো হয়।

শাজাহানপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সোহরাব হোসেন ছান্নু এ প্রসঙ্গে বলেন, এমপি (সংসদ সদস্য) ঝামেলায় যাবেন না, কোথাও কোন অভিযোগ করেননি, অন্যদিকে আমাদের সিনিয়ররা চাচ্ছেন এ ঘটনা আর লম্বা না হোক। এ কারণে তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতায় অন্য এক জায়গায় সৌজন্য সাক্ষাতের মধ্য দিয়ে ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়। বিষয়টি পজিটিভ ভাবে নেয়ার জন্য তিনি সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন।

অপর দিকে বগুড়া-৭ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাবলু বলেছেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আমার ছোট ভাই, তিনি ভুল বুঝতে পেরে শনিবার আমার বাসায় আসেন। এ সময় তার সাথে দলের নেতাকর্মী ছাড়াও কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিকও ছিলেন।

সংসদ সদস্য বলেন, কেউ ভুল বুঝে বাসায় এসে ক্ষমা চাইলে আর কিছু করার থাকে না। তিনি আরো বলেন, আমি তো এমপি, আমার ওপরে এই উপজেলায় আর কোন পদ পদবী না, তাই ওদেরকে ক্ষমা করে বুকে জড়িয়ে নিয়েছি। এ সময় বাসায় যা ছিল তাই দিয়ে আপ্যায়ন করেছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ © দেশ প্রকাশ ©
Theme Customized By Theme Park BD